দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হলে প্রাইমারি ও আরবান হেলথ কেয়ারে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ কাজে সফলতার জন্য পাবলিক হেলথ তথা জনস্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে। কোভিড মহামারিসহ অতীতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ে সচেতনতার ঘাটতি বড় কারণ ছিল। ফলে সরকারি উদ্যোগে দেশে একটি পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয় ও জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি হিসাবে দেখা দিয়েছে। শনিবার রাজধানীর মহাখালীর 'রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট' (আইইডিসিআর) মিলনায়তনে আয়োজিত 'আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য সম্মেলনে' বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সম্মেলনের আয়োজন করে 'পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পিএইচএবি)।' সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল 'ঘাটতি পূরণে জনস্বাস্থ্যে বিনিয়োগ।'
পিএইচএবি-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা। সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. টিটো মিঞা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্তি মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির। মূল বিষয়ের ওপর বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান ও সার্জন (বিসিপিএস)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি ও পিএইচএবি'র সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পিএইচএবি'র নির্বাচিত পরবর্তী সভাপতি ডা. আবু জামিল ফয়সাল।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা নিশ্চিত করতে হলে পাবলিক হেলথ নিয়ে কাজ করতে হবে। এভাবে তৃণমূলে সেবা পৌঁছাতে পারলে ঢাকা মেডিকেলসহ বড় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমবে। সম্মেলনে পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিস্থাপনের জন্য জনস্বাস্থ্যবিদের বিষয়ে আমি একমত। আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব। সম্মেলনে ছয়টি বৈজ্ঞানিক অধিবেশন, দুটি প্ল্যানারি অধিবেশেনে দেশ বিদেশের জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ও নির্ধারিত বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন। এরপর পিএইচএবি'র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পিএইচএবি-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা। সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. টিটো মিঞা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্তি মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির। মূল বিষয়ের ওপর বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান ও সার্জন (বিসিপিএস)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি ও পিএইচএবি'র সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পিএইচএবি'র নির্বাচিত পরবর্তী সভাপতি ডা. আবু জামিল ফয়সাল।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা নিশ্চিত করতে হলে পাবলিক হেলথ নিয়ে কাজ করতে হবে। এভাবে তৃণমূলে সেবা পৌঁছাতে পারলে ঢাকা মেডিকেলসহ বড় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কমবে। সম্মেলনে পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিস্থাপনের জন্য জনস্বাস্থ্যবিদের বিষয়ে আমি একমত। আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব। সম্মেলনে ছয়টি বৈজ্ঞানিক অধিবেশন, দুটি প্ল্যানারি অধিবেশেনে দেশ বিদেশের জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ও নির্ধারিত বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন। এরপর পিএইচএবি'র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।